শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নাম ফলক অপসারণ, নেয়া হচ্ছে আইনি ব্যবস্থা

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামফলক সরিয়ে ফেলার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে ক্লাবের বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি। আজ শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানানো হয়।লিখিত বক্তব্যে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, ‘১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব মিলনায়তনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তাঁর হাত ধরে এই প্রতিষ্ঠান তিলে তিলে গড়ে ওঠে।কালক্রমে আওয়ামী দলকানারা সেটি মুছে দেয়। নতুন প্রজন্ম আর জানতে পারেনি চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা  তিনি বলেন, ১৯৭৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারির সেই অনুষ্ঠানে দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক, পিপলস ভিউর সম্পাদক ওসমান গনি মনসুরসহ অনেক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

গোলাম মাওলা আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাংবাদিকতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তিনি মুক্ত গণমাধ্যমে বিশ্বাসী ছিলেন এবং সাংবাদিকদের কল্যাণে বিপুল অবদান রাখেন।বিদেশ সফরে গেলে ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম থেকেও সাংবাদিকদের নিয়ে যেতেন। তিনি চট্টগ্রাম নগরের শেরশাহ কলোনিতে সাংবাদিকদের আবাসনের জন্য জমি দেন। তারই ধারাবাহিকতায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রেস ক্লাবের উন্নয়নে ১৫ লাখ টাকা অনুদান দেন।

জিয়াউর রহমানের নামফলকটি ক্লাবের সম্মুখভাবে ছিল।সেটি সরানো আইনের দৃষ্টিতে অপরাধ উল্লেখ করে সাংবাদিক নেতারা বলেন, নামফলক সরিয়ে ফেলা, ভাঙা বা বিকৃত করা আইনত গুরুতর অপরাধ, যা সাধারণ সম্পত্তি বিনষ্ট হিসেবে গণ্য করা হয়। এর শাস্তি হিসেবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে।

ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের মহাসচিব ওসমান গনি মনসুর, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মঈনুদ্দিন কাদেরী শওকত, ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, কার্যকরী সদস্য ও সিএমইউজে সেক্রেটারি সালেহ নোমান, রফিকুল ইসলাম সেলিম, সাইফুল ইসলাম শিল্পীসহ ক্লাবের সদস্যরা।