শ্রমিক কাজ সমাপ্তি করার পরে ও শ্রমের টাকার জন্য ধারে ধারে ঘুরতে হচ্ছে কাতলগঞ্জ আবাসিকের দুদুমিয়া টাওয়ারের মালিকের কাছে।

শ্রমিক কাজ সমাপ্তি করার পরে ও শ্রমের টাকার জন্য ধারে ধারে ঘুরতে হচ্ছে কাতলগঞ্জ আবাসিকের দুদুমিয়া টাওয়ারের মালিকের কাছে। বিল্ডিং নির্মান এর চুক্তি অনুয়ায়ী টাকা চাওয়ার জন্য শ্রমিক ফেডারেশন,রেজি নং – ২২০৫ এর সদস্য গাজী মোঃ দেলোয়ার হোসেনের পক্ষ্য থেকে কয়েক বার নোটিশ প্রদান করা হয়।নোটিশ এর কোন জবাব পাওয়া যায় নাই। এক পর্যায়ে উক্ত চুক্তি মোতাবেক কাজ সম্পুর্ন করার পরেও সর্ব শান্ত হয়ে ঠিকাদার দেলোয়ার পথে বসার উপক্রম।থানায় বিভিন্ন সময় বৈঠক করে বাকী ৩৫০০০০০ লক্ষ্য টাকা সীদ্ধান্ত হলে ও দুদু টাওয়ারের মালিক পক্ষ্য টাকা দিতে স্মতি জানায়। কিন্তু পরিশোধের কয়েক বার সময় দিলেও বিভিন্ন অজুহাতে তাল-বাহানা করে টাকা পরিশোধ করেনি । গাজী মোঃ দেলোয়ার হোসেন (৩৮), পিতা: গাজী মোঃ শহীদ উল্লাহ, মাতা : আমেনা বিবি, জাতীয় পরিচয় পত্র নং : (জাতীয় পরিচয় পত্র নাই) , ঠিকানা(স্থায়ী ও বর্তমান)-আলী এইড টাওয়ার ১, গ্রাম-টেক্সটাইল, ইউনিয়ন/ওয়ার্ড নং-২, থানা-বায়েজিদ বোস্তামি, জেলা-চট্টগ্রাম , মোবাইল নং -০১৯১১৬০৯৭৩৮।গাজী মোঃ দেলোয়ার হোসেন জানাইতেছি যে, ০৯/১২/২৫ ইং তারিখ সময় সকাল অনুমান ১০:১০ ঘটিকার কাতলগঞ্জ আবাসিক নামক স্থানে বিবাদী ১. মোজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী (৭০) ২। মোকতার আহমেদ চৌধুরী (৬০) ৩। আক্তার আহমেদ চৌধুরী (৫০) সর্ব পিতা: হাজী দুদু মিয়া সাং ৩১ কাতলগঞ্জ আবাসিক, রোড নং ০৪ থানা: পাচলাইশ জেলা; চট্টগ্রাম গন এর বিল্ডিং নির্মান এর চুক্তি অনুয়ায়ী টাকা চাওয়ার কারনে কথা কাটা কাটি হয় ।এক পর্যায়ে উক্ত বিবাদিগন আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়াভীতি হুমকি প্রমর্শন করে । পাওনা টাকা চাইতে গেলে আমার পরিবারের সদস্যদের জানে মেরে ফেলবে মর্মে প্রকাশ্যে হুমকী দেয় । সাক্ষী গন সহ স্থানীয় অনেকেই ঘটনা জানে ও শুনে। বিবাদীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সাধারণ ডাইরী করা হয়।সাধারণ ডাইরী নং – ১১৪৭ । তারিখঃ ১৫/১২/২০২৫ , সকলের নিকট থেকে ধার দেনা করে এখন শহর ছাড়ার উপক্রম হয়েছে। টাকা আদায়ের জন্য ০৮/০১/২০২৬ইং তারিখে শান্তিপূর্ণ মানব বন্দন করেন শ্রমিক ফেডারেশন,রেজিনং – ২২০৫।
মানব বন্দন থেকে ঘোষনা করা হয় আগামি ১২/০১/২০২৬ইং তারিখের ভিতর টাকা পরিশোধ না করলে উক্ত দুদু মিয়া টাওয়ারের সামনের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হবে। প্রশাসনের সু- দৃষ্টি কামনা করেন গাজী মোঃ দেলোয়ার হোসেন।